ঘোর নয় প্রেম

শৈত্য, শীতের রাত; বিস্তৃত খোলা মাঠে
আমার এলো চুলে উদাসী বাতাস দিচ্ছে দোল
বাস্ত নগরীর মাঝে আছি কান পেতে,
থেমে গেছে সব কোলাহল।
আবছা চাঁদের আলোয় দেখি দূরে,
ঐ দেখা যায় কার নীলডানা।
তবে কি আমার স্বাধীন রাজ্যে একটি নীল পাখি দিয়েছে হানা!
আমি যত দেখি হায় মায়া লাগে শুধু মন যে ভরে না ছাই
পাখি পোষার স্বাধ জেগেছে, খাঁচা কোথায় পাই?

ঘুম ভেঙেছে ঘুম ভেঙেছে, তবে এটা স্বপ্ন কিংবা ঘোর না
সে তো পাখি নয়, কোন পরী নয়; কলেজ পাড়ার সুবর্না!
-দিদার উল আলম

Advertisements
Posted in Uncategorized | Leave a comment

ফের দেখা হবে

আবারো ঘুরে ফিরে, আলো আঁধারের ভিড়ে
দেখা হবে আমাদের।
দেখা হবে বালুচরে, জলাশয়ের ধারে
যেখানে ভোরের বক বসে থাকে একটি মাছের প্রতিক্ষায়
যখন নীলিমার রঙ ধীরে ধীরে সাদা হয়; সদ্য প্রভাতে
জানি ফের দেখা হবে, হয়ত বা কোন অবেলায়।

-দিদার উল আলম

Posted in Uncategorized | Leave a comment

অচেনা বন্ধু (বাংলা কবিতা)

»»» গতির সাথে পথ চলা » » »

জানা নেই শোনা নেই তবুও হয় যদি বন্ধুত্ব
শুধুই কথাতে যদি মেটাতে পারে সব দুরত্ব-
তবে হোক না এমন,
হয়তো তোমার সাথে দেখা হবে নাকো কভু
আমার স্মৃতিপটে চিরদিন তুমি থাকবে তবু
যেমন আছো এখন।

View original post 102 more words

Posted in Uncategorized | Leave a comment

বিদায় বেলায়

বৃষ্টি তো থেমে যায়, উড়ে যায় মেঘ,
বর্ষার স্মৃতি রেখে যায়; সবটাই আবেগ।
ভেজা পাখি উড়ে যায় নীরে, ঐ নীলে; দূর আজানায়
ফেলে রেখে যায় একটি পালক,
শেষ বসন্তে আবারো, ফিরে আসবার বাসনায়!!

ভালোবাসা চলে যায় নারী হয়ে।
যেতে যেতে পথে তাকায় পেছনে অভিমানী চোখে আর
কিছু অনুরাগ রেখে যায়
আমি তার ছলছলে চোখের কাজলে ভালোবাসা দেখেছি,
তবু আঁকড়ে ধরি নি হাত, আটকাই-নি তাকে।
শান্ত চিত্তে হেলা ভরে শুধু দেখেছি তার চলে যাওয়া, দিয়েছি বিদায়!!
-দিদার উল আলম

Posted in Uncategorized | Leave a comment

নেতা

স্যার কলেজে ক্লাস নিচ্ছে। হঠাৎ করে কোন এক ছাত্র বাজে রকম একটা শব্দ করল । স্যার জিজ্ঞাসা করলো কে এমন শব্দ করেছে ? কিন্তু কেউ স্বীকার করল না। স্যার তখন বললো তোমরা যদি না বল তবে আমি সবাইকে শাস্তি দিব। সবাই চুপ চাপ বসে আছে। কেউ কারও দিকে তাকানেরও সাহস পাচ্ছে না। স্যার এবার রীতিমত আরও রেগে গেল। ক্লাসের গজগজে পরিস্থিতিটা কিছু সময়ের জন্য নিস্তব্ধ হয়ে গেল…..।
হঠাৎ ক্লাসের ক্যাপ্টেন রিয়াদ এগিয়ে এসে বললো স্যার আমি এমন শব্দ করেছি। স্যার জিজ্ঞাসা করলো তুমি কেন এমন শব্দ করলা….? সে উত্তর দিল স্যার আমি না বুঝে করেছি। স্যার বললো যাও ২০ বার কান ধরে উঠা-বসা কর……। কান ধরে উঠা বসা করে ছেলেটি নিজের সিটে গিয়ে বসে কাঁদতে লাগল। স্যার তখন ছেলেটির কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো তুমি কাঁদছো কেন….? ছেলেটি বললো স্যার আমি কখনও কান ধরে উঠা বসা করি নাই। আর ওই শব্দটাও আমি করি নাই। এবার স্যার একটু বিচলিত হল। বললো তাহলে তুমি মিথ্যা বললা কেন.? ছেলেটি বললো স্যার কেউ দোষ স্বীকার না করলে আপনি সবাইকে শাস্তি দিতেন। আর একজনার ভুলের জন্যে আমার
সকল বন্ধুরা কষ্ট পাবে আমি ক্লাস ক্যাপ্টিন হয়ে তা মেনে নিতে পারবো না…! তাই আমি নিজে দোষ স্বীকার করেছি। ছেলেটির কথা শুনে শিক্ষক অবাক হলেন। এবং কলেজের সবার সামনে ছেলেটিকে সম্মানিত করলেন…..।

আসলে নেতা হলে এমনই হতে হবে। যে নিজের কথা না ভেবে বাকি সবার কথা ভাববে।

–তানভীর

Posted in গল্প | Tagged | Leave a comment

মোহ; প্রাপ্তির পর চলে যায়

ধরে নিলাম, নীতিগত ভাবে আপনি সৎ… তবুও
এমন কী হয় না…
এক সময় হঠাৎ মানুষটাকে আর ভাল লাগছে
না… ! তার হাত ধরে আনন্দ পাচ্ছেন না…
একসাথে রিক্সায় ঘুরে ভাল লাগছে না…
কথা বলতে ইচ্ছে করে না ; মনে হয় সব বলা
হয়ে গেছে। তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে না;
তাকিয়ে থাকার আর কিছু নেই। তার চেহারা
আপনার মুকস্ত।
ইম্প্রেস করতে ইচ্ছে করে না ; সে এমনিতেই
দিন রাত আপনাকে নিয়ে আছে। ইম্প্রেস
করার কিছু নেই।
আগে যখন লং ড্রাইভে যেতেন তখন গাড়িতে
কম ভলিউমে বাজত মহিনের ঘোড়াগুলি। মিরর
গ্লাস তার দিকে সেট করা রাখা হত ; যেন
ড্রাইভিং সীটে বসে সহজেই তাকে দেখা
যায়…
কী চমৎকার ছিল দিন গুলো…
ইচ্ছে করে না , কোন অপরাধে না , কোন
কারণ ছাড়াই মানুষটার প্রতি আবেগ ভোতা
হয়ে গেছে…
একদিন ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করলেন
অন্য কাউকে আপনার ভাল লাগছে।
কী করবেন আপনি ?
‘ভাল লাগার’ ব্যাপারটি তো আর প্লেনিং
করে করেন নি…. !!!
কাউকে আর ভাল না লাগলে আপনার কী
করার আছে ? অন্য কাউকে ভাল লাগলে
আপনার দোষ কেন হবে ???
………এই সময়টাতেই আমরা সব থেকে বড়
ভুলটা করে ফেলি…
আমাদের মনে থাকে না, যে মানুষটিকে আজ
হঠাৎ খুব ভাল লাগছে… সে মানুষটিও একদিন
পুরনো হবে। তার চেহারাও একদিন মুকস্ত
হবে !!
শীতে কেঁপে কেঁপে তার সাথে নৌকা
বাইতে আজ যেরকম ভাল লাগছে ; ঠিক
এইরকম ভালই লেগেছিল কয়েক বছর আগে
ছেড়ে যাওয়া মানুষটার প্রতি…
মোহ জিনিসটা বেশি দিন থাকে না…
সৌন্দর্য যদি ভালবাসার মূল উৎস হত তাহলে
জগতের কোন বৃদ্ধ তার বৃদ্ধা স্ত্রীকে
ভালবাসতে পারত না…
টাকা পয়সা যদি মূল উৎস হত তাহলে
পৃথিবীতে কোন মেয়ে কোন মধ্যবিত্তকে মন
থেকে ভালবাসতে পারত না…
মানুষটিকে সম্পূর্ণ পাবার পর আমাদের
মাথায় থাকে না ; এই মানুষটিকে ছাড়াই
একদিন আপনি অসম্পূর্ণ ছিলেন…
পেয়ে যাবার পর আমরা ভুলে যাই , কাছের
মানুষটিকে আইরন করে রাখতে হয়… শোবার
সময় বালিশের পাশে রাখতে হয়।
…মাঝে মাঝে অবাক বিস্ময়ে বলতে হয় ;
”ও আল্লাহ ! তোমাকে কী যেএএএ সুন্দর
লাগতেছে !! আচ্ছা এখানে কাঁদার কী হল !!
আরে এত ভাল কেন তুমি” ?

-হুমায়রা মাহজাবীন প্রমা

Posted in গল্প | Tagged | Leave a comment

আমার বন্ধু

শৈত্য, শীতের রাত;
মাঘি পূর্ণিমার আলোয়
খোলা আকাশের তলে বাতাসের অতলে বহে ঊর্মির দোল।
বাস্ত নগরীর মাঝে আছি কান পেতে,
থেমে গেছে সব কোলাহল।
জ্যোৎস্নার মৃদু আলোয় দেখি দূরে,
দেখা যায় কার নীলডানা!
স্বপ্নে আমার পরীর রাজ্যে একটি নীল পাখি দিয়েছে হানা।
বহুক্ষণ ধরে দেখি দেখি করে
ফুরিয়ে গেছে চাঁদের আলো, রাতে ভরে গেছে আঁধার
তবুও এ মন ভরে নি।
না সে পাখি নয়, কোন পরী নয়
আমার বন্ধু; শ্রাবণী।


-দিদার উল আলম

Posted in কবিতা | Leave a comment

পৃথিবীর প্রকৃতি প্রাকৃতিক থাক

প্রতিদিন যদি বৃষ্টি নামে নামুক; বিজবো না হয়
প্রতি ভোরে যদি ঘুম ভেঙে যায় বুড়ো শালিকের ডাকে; জাগবো না হয়
দেখবো না হয় রোদে ভরা দিন অথবা মেঘলা আকাশ
শুকবো না হয় মরুভুমি ময় অথবা নদীর তীব্র বাতাস
বর্ষার জলে ভিজবো আমি পুড়বে শরীর প্রখর রোদে
ক্লান্তি জ্বরা দুঃখ ভুলে হারাবো আবার রাতের চাঁদে।

এই পৃথিবীর প্রকৃতির কাছে নেই অভিযোগ, নেই অভিমান
যেমন আছে তেমনই থাকুক নেই মতামত, কোন আহ্ববান
আমি তো বড় সুখেই আছি; দীঘির ঘাটে পেতেছি আসন
দুইয়ে দুইয়ে যদি চার হয় তবে পাঁচ বানানোর নেই আবেদন
প্রকৃতি সুধায় তৃপ্ত আমি, তৃপ্ত আমার কাব্যিক মন
অদ্ভুদ এই প্রকৃতির কোন পরিবর্তন নেই প্রয়োজন।

-দিদার উল আলম

Posted in কবিতা | Tagged | Leave a comment

তোমার অনুরাগ; আমার ভালোলাগা

গোলাপ নয়, কৃষ্ণচূড়া!
শীতের শেষে বস্রহীনা দানবীটির গাঁয়ে জেগে উঠা গুচ্ছ গুচ্ছ লাল ফুলই আমার ভালো লাগে।
কোকিল ডাকা বসন্তে চাদর ছেড়ে হলুদ পাঞ্জাবী আমার ভালো লাগে।
স্বপ্নদেশে নদীর ওপারে পাহাড়ী ফুলের রাজ্য আমার ভালো লাগে, যেথায় মেঘেরা করে খেলা।
ভালো লাগে তোমার সাথে ঝগড়া করতে
আর তোমার মায়াবী কালো কাঁদো কাঁদো অশ্রু ভেজা চোখ।
তাইতো ঝগড়া করব না বলেও প্রতিবারই শপথ ভঙ্গ করি,
আবারো গড়ি নতুন শপথ।
ভালো লাগার আরও অনেক কিছু আছে
তবে বিশ্বাস কর, তোমাকে কষ্ট দিতে আমার মোটেও ভালো লাগে না;
তবুও দেই
বুঝে কিংবা না বুঝে।
অনেক আবেগে কাঁদতে ইচ্ছে হয় কিন্তু পাষাণ হৃদয় কাঁদে না কিছুতেই শুধু আড়ালে ঝড়ে জল।
ভাবো তোমার কষ্টে আমার পরম স্বাধ!
বোঝ না
বুঝতে চাওনা, তোমায় ভালোবাসি
হাসনাহেনার সুবাস কিংবা শরতের সাদা মেঘের চেয়েও বেশী।
অন্তর খুলে দাও, দেখবে সেথায় লেখা আছে ত্রয় অক্ষরের নাম।

——দিদার উল আলম

Posted in কবিতা | Leave a comment

বৃষ্টি

আকাশে আজ প্রচুর রোদ বইছে না কোনও হাওয়া,
আমার শুধু একটি ইচ্ছে বৃষ্টিকে শুধু পাওয়া।
কোমল হাতের স্পর্শ দিয়ে তোমায় ছুঁতে চাই,
মনের মধ্যে অনেক আনন্দ খুঁজে আমি পাই।
কখন আসবে?? বলছ না কেন?? রাগ করলে বুঝি??
সবার মাঝে আজও আমি তোমায় ওগো খুঁজি।


অবশেষে আসলে তুমি সাথে তোমার খেলনা,
তোমার সাথে আমার স্মৃতি কখনও ভোলা যায় না।
আবার এসো ধরণীর বুকে নিয়ে তোমার রূপ,
মুগ্ধ চোখে দেখব আমি থাকব আমি চুপ।
মিষ্টি গন্ধ খুঁজে ফিরি তোমার সারা গায়,
নূপুর জোড়া দুটি তোমার পায়ে শোভা পায়।
যাবার বেলায় একটিবারের জন্য বলে যাও,
তুমি শুধু আমার হবে অন্য কারো নও।

-Nahian Habib

Posted in কবিতা | Tagged | Leave a comment